Subodh Sarkar: Translated by Jaydeep Sarangi

Subodh Sarkar

BIO

Subodh Sarkar is one of the leading Bangla poets with more than thirty books. He is the recipient of the prestigious Central Sahitya Academy Award. He is the Chairman of Poetry Academy of West Bengal, Govt of West Bengal. He guest edited Indian Literature, New Delhi.

Jaydeep Sarangi

BIO

Jaydeep Sarangi is part of the Senior Faculty Dept. of English at Jogesh Chandra Chaudhuri College(Univ. of Calcutta). He is a poet with seven collections. Sarangi has translated Subodh Sarkar’s selected poems, Not in My Name(in press).

.

Bribe

A suicide note under the ninth volume of Rabindra Rachanabali
Written to his son. Then with a blade in his hand
The Master had entered the bathroom.
In the afternoon, the maid saw the line of blood
From under the door and she screamed out.

This is the first and last letter written to his son:
‘Arani
I have a conviction that a son is as holy as water.
my relation with you is not smooth
Still, let me write this to you
Since the last two years, whatever little I had saved
Is spent up now, for your mother’s treatment.
I was not able to bear the burden of the treatment anymore.
I never ever touched your money in my life; I won’t even in my death.
I taught students all my life, never did anything wrong knowingly.
Last month, a parent came to my school, he was desperate to admit his son.
I refused the first day
I refused the second,
But I couldn’t on the third. In a big envelope
He left with me thirty thousand rupees.
With that money, your mother’s treatment is going on this month.
No hope whether she will ever return home.
If she does, tell her, that I have lost the right to live in this world.
Yours ever, Father.’

When the whole country is cashing on bribes
Then just one suicide note under the Rabindra Rachanabali!
In the hospital under the tree, I was having a chill down my spine.
I went forward to my Master, covered with all white cloth
Towards two lone feet, sticking out from under cover
Those two uncovered feet as it were, was the last feet of India.

(Rabindra Rachanabali – Rabindranath Tagore’s collected works)

ঘুষ

রবীন্দ্ররচনাবলীর নবম খন্ড দিয়ে চাপা দেওয়া সুইসাইড নোট,
ছেলেকে লেখা। লিখে, হাতে ব্লেড নিয়ে
বাথরুমে ঢুকেছিলেন মাস্টারমশাই
দুপুরবেলা কাজের লোক দরজার তলা দিয়ে
রক্ত আসছে দেখে চিত্কার করে ওঠে।

ছেলেকে লেখা এই তার প্রথম এবং শেষ চিঠি:
‘অরণি,
আমি বিশ্বাস করি সন্তান পবিত্র জলের মতো
যদিও তোমার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ভালো নয়
তবু তোমাকেই লিখে রেখে যাই
গত দু’বছর তোমার মায়ের চিকিত্সাবাবদ
আমার যত্সামান্য সঞ্চয় আপাতত নিঃশেষিত
চিকিত্সার ব্যয়ভার আমি আর নিতে পারছিলাম না।
জীবনে তোমার টাকা ছুঁইনি, মরেও ছোঁব না।
আমি আজীবন ছাত্র পড়িয়েছি, জ্ঞানত কোনও অন্যায় করিনি।
গত মাসে আমার স্কুলে এক অভিভাবক এসে
ঝুলোঝুলি করেন তাঁর ছেলেকে নেবার জন্য
আমি প্রথম দিন ফিরিয়ে দিই
দ্বিতীয় দিন ফিরিয়ে দিই
তৃতীয় দিন পারিনি। তিনি আমাকে একটা বড় খামে
তিরিশ হাজার টাকা দিয়ে চলে যান।
সেই টাকায় এই মাসে তোমার মায়ের চিকিত্সা চলছে
জানি না তিনি বাড়ি ফিরবেন কি না কোনও দিন
ফিরলে বোলো, পৃথিবীতে আমার বেঁচে থাকার অধিকার চলে গেছে।
ইতি বাবা’
যখন সারাটা দেশ দাঁড়িয়ে আছে ঘুষের টাকার ওপর
তখন রবীন্দ্ররচনাবলী দিয়ে চাপা দেওয়া একটা সুইসাইড নোট।
হাসপাতালে গাছের তলায় গা ছমছম করছিল
এগিয়ে গেলাম সাদা কাপড়ে ঢাকা মাস্টারমশাইয়ের দিকে
একটু বেরিয়ে থাকা পা দুটোর দিকে—

ওই একটু বেরিয়ে থাকা পা দুটি যেন ভারতবর্ষের শেষ মাটি।

.

From 125th Avenue, New York

I couldn’t tell them my whole story as my skin is black.
My next door neighbour is a white lady.
I believe
She couldn’t unburden herself frankly as she was a white.

But White and Black boys and girls are moving around freely
How is that harming anybody?

Marin Luther King and Marline Monroe, please come out
from the basement of history, you slept enough.
Please stand closer, we shall click a picture.

নিউ ইয়র্কের ১২৫তম অ্যাভিনিউ থেকে

আমার গায়ের রং কালো বলে সব কথা বলতে পারিনি।

আমার পাশের বাড়ির মেয়েটি শ্বেতাঙ্গ
কিন্তু আমার বিশ্বাস
শ্বেতাঙ্গ বলেই সব কথা ও খুলে বলতে পারেনি।

অথচ দিকে দিকে শাদা কালো ছেলেমেয়েরা একসঙ্গে বেরিয়ে পড়েছে
তাতে কি কারোর ক্ষতি হয়ে গেল?

মার্টিন লুথার কিং এবং মেরিলিন মনরো, ইতিহাস থেকে উঠে এসে
আপনারা আর একটু ঘন হয়ে দাঁড়ান, একটা ছবি নেব

*****

,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Connect with Facebook